দুই থেকে একদিনের মধ্যেই রাজধানীর গুলশান সিটি করপোরেশনের মার্কেটের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন উত্তরের মেয়র আনিসুল হক।
শনিবার সকালে মার্কেট পরিদর্শন শেষে তিনি আরো বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ধ্বংসস্তুপ অপসারণ করে ব্যবসা চালু করার ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে, মেয়রের আপত্তি সত্বেও ঝুঁকি উপেক্ষা করেই পশ্চিম পাশের পাকা মার্কেটের নিচ তলায় কিছু কিছু দোকান চালু করেছেন ব্যবসায়ীরা।
আগুন লাগার ৪ দিন পর শনিবার সকাল থেকেই গুলশান-১ এর ডিএসিসি মার্কেটের ধ্বংসস্তুপ সরানোর কাজ শুরু করে দমকল বাহিনী। তাদের সঙ্গে কাজ করছে উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬০ জন কর্মী।
আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে সরকারের দুটি বিভাগ থেকে ব্যবসায়ীদের ফরম দেয়া হয়েছে। সেগুলো পূরণ করে এরইমধ্যে জমাও দিতে শুরু করেছেন তারা।
এখনো ব্যবসায়ীরা বলছেন, সেদিনের আগুন নাশকতা, কোনো দুর্ঘটনা নয়।
সরকার ও সিটি করপোরেশনের কাছে দ্রুত পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান দোকান মালিক সমিতির নেতারা।
মার্কেটের নিচ তলার প্রায় সব দোকানই খুলেছে। ২য় তলা থেকে পুড়ে যাওয়া জিনিসপত্র সরানো হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের কর্মীরাও মালামাল সরানোর কাজে সহযোগিতা করছেন।
সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গুলশান-১ এর সিটি করপোরেশনের এ মার্কেটে আগুন লাগে। প্রায় আড়াইশ দোকান পুড়ে যায়, ধ্বসে পড়ে মার্কেটের কাঁচাবাজারের পুরো অংশ।