নির্বাচন কমিশনার-ইসি নিয়োগ আইন এখনই প্রণয়নে সময়—রাষ্ট্রপতির কাছে এ ধরনের কথা বললেও ওই নীতি থেকে সরে এসে আরো চিন্তা-ভাবনার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অধস্তন আদালতের বিচারকদের ‘ই-প্রকিউরমেন্ট’ বিষয়ক কর্মশালা উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদেরএ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, এই আইনটা কিন্তু ঝটপট তৈরি করা যায় না— এটার একটা সুদূর প্রসারী ইফেক্ট আছে সে কারণে এই আইনটা চিন্তা-ভাবনা করে করা উচিৎ, সেক্ষেত্রে আমি মহামান্য রাষ্ট্রপতির নির্দেশনার অপেক্ষা করছি।
আনিসুল হক বলেন, রাষ্ট্রপতি সকল দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে যে সিদ্ধান্ত দেবেন সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এ সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যাতে না সরানো হয় সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান আনিসুল হক।
গতকাল নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয় এখনই আইনটি করা যেতে পারে। দলের ওই প্রতিনিধি দলে আনিসুল হকও ছিলেন।
প্রসঙ্গত: সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করতে পারেন তবে তা আইনের অধীনে, কিন্তু এখনও সেই আইন করা হয়নি।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে আইনটি দ্রুত প্রণয়নের তাগিদ দেয়া হয়েছে।
গত ৪ জানুয়ারি রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, ত্বরিত এ আইন করার মত সামর্থ্যদ তার মন্ত্রণালয়ের রয়েছে, শুধুমাত্র রাষ্ট্রপতির নির্দেশের অপেক্ষায় আছেন।