যুবশক্তির সৃজনশীলতা বিকাশে বাংলাদেশ সব সময়ই বৈশ্বিক জ্ঞানকে স্বাগত জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলনে ‘ডিজিটাল লিডারস পলিসি মিটিং অন জব’ শীর্ষক এক সেশনে তিনি এ কথা বলেন।
সেশনে অংশ নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের লাখ লাখ যুবকের সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে তার সরকার যেকোন প্রকার বৈশ্বিক জ্ঞান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগকে সহায়তা দিবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিজেকে উদীয়মান বৈশ্বিক জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতির এমন একটি অবস্থানে তুলে এনেছে— যেখান থেকে উন্নয়নের পথে নানামুখী প্রতিবন্ধকতা স্বর্তেও সরকার দেশকে ডিজিটালাইজেশনের পথে চালিত করছে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তথ্য প্রযুক্তির প্রসারের কারণে বাংলাদেশ তার যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটাতে চায়।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে বাংলাদেশের সাফল্যগাঁথা সকলের সামনে তুলে ধরতে ডব্লিউইএফ ওই সেশনে তাদের বিশেষ অতিথি ও প্যানেল আলোচক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মনোনীত করা হয়।
এর আগে ওই দিন সকালে ডব্লিউইএফের আরেকটি সেশনে অংশ নিয়ে বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিশ্বখ্যাত পরিবেশবাদী আল গোর উত্থাপিত একটি ইস্যুর প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী বলেন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবনের পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না।
আল গোরকে বাংলাদেশে গিয়ে ওই প্রকল্প দেখার আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।