বাংলাদেশে সেবামূলক ও আর্থিক দুই খাতেই দুর্নীতির চিত্র উদ্বেগজনক— এ জন্য বাজার অর্থনীতি, রাজনৈতিক ব্যবস্থা অনেকটা দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। দুর্নীতি রোধে দুদকের আরো কার্যকর ভূমিকার দাবিও করেন তারা।
বাংলাদেশের দুর্নীতির ধারণাসূচক নিয়ে বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) এর প্রতিবেদন সম্পর্কে বৃহস্পতিবার এ প্রতিক্রিয়ায় জানান তারা।
দেশের দুর্নীতির সার্বিক চিত্র বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর ইব্রাহিম খালেদ বলেন, সেবামূলক খাতে দুর্নীতি বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বেড়েছে। সেইসঙ্গে আর্থিক খাতের দুর্নীতি বেড়ে যাওয়াকে বেশ নেতিবাচক।
আর দুর্নীতি রোধে স্বাধীন-নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন দাবি করে দুদক সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল বলেন, পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনতে পারছেন না। তদন্ত হলেও অনেক সময় পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে অনেক দুর্নীতিবাজই পার পেয়ে যায়।
দুদক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের দক্ষতা বাড়াতে প্রযুক্তি নির্ভর প্রশিক্ষণের ওপরও জোর দেন দুদক সচিব।
দুর্নীতির ধারণাসূচক নিয়ে টিআই এর বৈশ্বিক প্রতিবেদন ২০১৬ তে সূচকের দিক থেকের বাংলাদেশের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ১৩ থেকে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে এবার ১৫তম।
১৭৬টি দুর্নীতিগ্রস্থ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৫। সূচকে সামান্য উন্নতি হলেও সারাদেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা নিয়ে টিআই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।