পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার তিন জেলার নদ-নদী উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলার নয়টি নদী খনন, সীমানা নির্ধারন এবং তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।
রোববার সকালে সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত বৈঠকে রামগড়-সাবরুম এবং নাইখ্যংছড়ি- ঘুমদুম এলাকায় দুটি স্থল বন্দর নির্মাণেরও সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
এ সময় নৌ পরিহনমন্ত্রী আরো জানান, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমারের সঙ্গে আমদানি রপ্তানি বাড়ার পাশাপাশি দুদেশেরই রাজস্ব বাড়বে অন্যদিকে নদী খননের ফলে নৌপথে যাতায়াত সহজ হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার নদ-নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, সীমানা নির্ধারন এবং স্থলবন্দর নির্মানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠক করেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। বৈঠকে বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি এই তিন জেলার, কাঁচালং, মাইনি, কর্ণফুলি, ইছামতি, মাতামুহুরী, সাঙ্গু, ফেনী এবং হালদাসহ মোট নয়টি নদ-নদীর নাব্যতা উদ্ধারে খনন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৈঠক শেষে নৌ পরিবহনমন্ত্রী ব্রিফিংয়ে জানান, সড়কের পাশাপাশি পাহাড়ি অঞ্চলে নৌপথে সহজ যাতায়াতের জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে নাইখ্যংছড়ি ও ঘুমদুম এবং রামগড় ও সাবরুম এলাকায় স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, এতে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজস্ব আদায় বাড়বে, চোরাচালান, মাদক পাচার এবং অপরাধ কমে আসবে।
এসময় মংলা ঘুশিয়া খালী নদী খননের উদাহরন টেনে মন্ত্রী বলেন, নদ-নদী খননের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পরিবেশ রক্ষায়ও সহায়ক হবে।