সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে বিপথগামী ছেলে-মেয়েরা সুপথে ফিরে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার বাংলা একাডেমি আয়োজন ‘সম্প্রীতির জন্য সাহিত্য’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন-২০১৭’ এর উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিটি পরিবার সদস্যরা শিশুদের বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের বিকাশে সহযোগিতা করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, বিপথগামীরা সাহিত্য চর্চার মাধ্যমেই সুপথে ফিরে আসতে পরে। তাই পারিবারিকভাবে বই পড়ার অভ্যাস তৈরির ওপর গুরত্ব দিতে হবে।
বাঙালির ভাষার জন্য প্রাণ দেয়ার দৃষ্ঠান্ত পৃথিবীতে অনন্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজের ভাষা, কথা বলার অধিকার লড়াই ও রক্তের বিনিময়ে অর্জন আমাদের গর্বিত করেছে।
এ সময় বাংলা একাডেমি পুরস্কার-২০১৬ প্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন শেখ হাসিনা। পরে মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন তিনি।
এদিকে, প্রতিবারের মতো মাসব্যাপী একুশে বইমেলার পাশাপাশি বাংলা একাডেমি আয়োজন করছে "সম্প্রীতির জন্য সাহিত্য" শীর্ষক ৪ দিনের আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন। এবারও বইমেলার পরিসর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে।
এ বছরই বইমেলা পাচ্ছে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য সেটা সূচনাতেই। বইকেন্দ্রিক এই মিলনমেলার উদ্বোধনী দিন থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকছে ‘সম্প্রীতির জন্য সাহিত্য’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনের আয়োজন।
এবারে বইমেলায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ভাগ হচ্ছে ১২টি চত্বরে। সেখানে ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে ৫৪৯টি ইউনিট। আর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮০টি প্রতিষ্ঠানের জন্য রয়েছে ১১৪টি ইউনিট। ১৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে প্যাভিলিয়ন।
বই মেলার সার্বিক প্রস্তুতিতে প্রকাশকরা সন্তুষ্ট। তাদের প্রত্যাশা, এবারের আয়োজন অতীতের সকল মেলাকে ছাড়িয়ে যাবে অন্য প্রকাশের কর্ণধার মাজহারুল ইসলাম।