কাজের মাধ্যমেই নতুন নির্বাচন কমিশনের যোগ্যতা প্রমাণ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে, সবার মতামতের ভিত্তিতে গঠিত হওয়ায় কমিশন নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলেও মত তাদের।
কমিশন গঠনে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে—আর তাই সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে এ কমিশন সফল হবে বলে আশাবাদ পর্যবেক্ষকদের।
ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকাসহ রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জনই কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন তারা।
কমিশনের প্রতি, সকল প্রভাবের উর্ধ্বে থেকে সৎ সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান তাদের।
রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্টজনদের মতামতের ভিত্তিতে নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রতি আশাবাদী নির্বাচন পর্যবেক্ষক, বিশ্লেষক ও সাবেক নির্বাচন কমিশনাররা।
নতুন কমিশন নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ছুহুল হোসাইন ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ফেয়ার ইলেকশন মনিটরিং অ্যালায়েন্স বা ফেমার প্রেসিডেন্ট মুনিরা খান বলেন, যোগ্য ব্যক্তি নিয়ে ভারসাম্য রক্ষা করেই এটি গঠিত হয়েছে। তবে কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ হবে কতটা নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে এ নির্বাচন কমিশন।
প্রক্রিয়াগত দিক থেকে এই কমিশন নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বরে মত তাদের বলেন, কমিশনে নারীর অংশগ্রহণও অত্যন্ত ইতিবাচক।
রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জনই কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নির্বাচন বিশ্লেষক ড. নাজমুল আহসান বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সকল প্রভাবের উর্ধ্বে থেকে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করেই এগিয়ে যেতে হবে নবগঠিত নির্বাচন কমিশনকে।