মিয়ানমার থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে তাদের পুনর্বাসন করতে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে অর্থনৈতিক সহযোগিতা চাইবে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের আবাসনসহ পুনর্বাসনে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিতে হবে যার খরচ যোগানো এ মুহূর্তে সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়।
আর রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাট।
সকালে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তারা।
সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সচিবালয়ে যান বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া ব্লুম বার্নিকাট। প্রায় এক ঘণ্টার আলোচনায় রাজনীতি ছাড়াও রোহিঙ্গা ইস্যু গুরুত্ব পায়। আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাব দেন তারা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, মানবিক কারণেই ক্যাম্পে নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের কক্সবাজার থেকে সরিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় ঠেঙারচরে সাময়িক পুনর্বাসন করার চিন্তা করছে সরকার।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতেও বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি মিয়ানমারে সেনা অভিযান থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসে প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা। আর ১৯৯০ সাল থেকে কক্সবাজারের ক্যাম্পে থাকা নিবন্ধিতদের মিলিয়ে রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ।