ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
তোফায়েল বলেন, ওই ষড়যন্ত্রে অধ্যাপক ইউনুস ও হিলারি ক্লিনটন যুক্ত ছিলেন আর এদেশের কিছু বুদ্ধিজীবী ষড়যন্ত্রকারীদের সমর্থন দিয়েছেন, যাদের এখন জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এদিকে, পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে যারা বাংলাদেশ ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সচিবকে মামলা করার তাগিদ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বহুল আলোচিত এবং সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্প পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় গত শুক্রবার কানাডার আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে রোববার নিজ মন্ত্রণালয়ে কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পদ্মাসেতু প্রকল্প ছিল ষড়যন্ত্রের শিকার। আর তা বাতিল করার জন্য নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তখনকার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এই ষড়যন্ত্র করেন আর তার সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন দেশের কিছু বুদ্ধিজীবী।
ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সরকার মানহানির মামলা করবে কী না, সে প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তাদেরকে জাতিই প্রত্যাখ্যান করবে। আর মামলার বিষয়ে আলোচনা করা দরকার।
এদিকে, ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার পরামর্শ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
আর পদ্মাসেতু দুর্নীতি ষড়যন্ত্রে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস জড়িত উল্লেখ করে তার শাস্তির দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।
উল্লেখ, ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। পরে নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।