বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে চলতি মাসেই হবে গণশুনানি— এরইমধ্যে পিডিবি ছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণকারী বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো দাম বাড়ানোর প্রস্তাব জমা দিয়েছে বিইআরসিতে।
তাতে খুচরা পর্যায়ে ৭ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে এ দফায় দাম খুব বেশি বাড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর নসরুল হামিদ বিপু।
গ্যাসের দাম বাড়ায় মূল্য সমন্বয় করতে এ দফা দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
গ্যাসের দাম বাড়ানোর পর এবার এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কর্মকর্তারা ব্যস্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে। এরই মধ্যে দাম বাড়ানোর জন্য কমিশনে প্রস্তাব জমা দিয়েছে বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।
কমিশন জানিয়েছে, বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যে প্রস্তাব জমা দিয়েছে তাতে ভোক্তা পর্যায়ে সর্বনিম্ন ৭ থেকে সর্বোচ্চ ১১ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। আর পাইকারি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে পিডিবি।
পিডিবির খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব হাতে পাওয়ার পরই শুরু হবে গণশুনানির কাজ।
প্রতিমন্ত্রীর দাবি, দাম কত বাড়বে তা ঠিক করবে বিইআরসি তবে ভোক্তা সামর্থ বিবেচনা করেই এ দফায় দাম বাড়বে বলে আশ্বাস তার।
বিদ্যুৎ বিভাগের হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ প্রায় ৭ টাকা। আর ভোক্তারা দেন ইউনিট প্রতি ৬ টাকা।
প্রতিমন্ত্রীর দাবি, গ্যাসের দাম বাড়ানোয় বিদ্যুতের উৎপাদন খরচও বেড়ে যাবে—এই অতিরিক্ত মূল্য সমন্বয় করতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে।
চলতি সপ্তাহেই, পিডিবি খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব জমা দিবে বলে জানা গেছে।