গুলশান হামলাসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সঙ্গে আইএস-আল কায়েদার যোগাযোগ রয়েছে দাবি করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার।
সোমবার সচিবালয়ে আলাদা ব্রিফিং মন্ত্রীরা বলেন, এ প্রতিবেদন অতিরঞ্জিত ও ভিত্তিহীন। বাংলাদেশের কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সম্পৃক্ততা নেই। গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশে সবক্ষেত্রেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হচ্ছে— এ নিয়ে কথা বলার সুযোগ নেই।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা সরকার নীতিগতভাবে সমর্থন করে না। ওই প্রতিবেদন তথ্য নির্ভর নয়।
আর বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ওই প্রতিবেদনকে অতিরঞ্জিত বলে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ সব দিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের বর্তমান আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল।
বাংলাদেশের জঙ্গিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোনও জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
এ সময় হাতির ঝিলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উত্তরায় তাদের অফিস ভবন করার জন্য জমি দেয়ার কথা রয়েছে। আগামী দুই/তিন বছরের মধ্যেই তারা নিজেদের ভবন নির্মাণ করতে পারবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার একটি বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এতে বলা হয়, গুলশান হামলাসহ বাংলাদেশে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সঙ্গে আইএস, আল-কায়েদার মতো আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর যোগাযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে সচিবালয়ে মন্ত্রীরা সাংবাদিকদের সামনে সরকারের মতামত তুলে ধরেন।