দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দুটি রাজনৈতিক পদ সরকার প্রধান ও বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রয়েছেন দুজন নারী।
তবু দেশের রাজনীতি আর রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নারীর অবস্থান পুরুষের তুলনায় নগণ্য।
প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য, ৪৬ বছরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীরা যে পথ পাড়ি দিয়ে নিজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারছে ভবিষ্যতে নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই মূলধারার রাজনীতিতেও তারা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
আর বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যোগ্যতা অর্জন আর আইনের শাসন না থাকলে রাজনীতির পথ নারীর জন্য দুর্গমই রয়ে যাবে।
এবারের দশম জাতীয় সংসদে সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিয়ে জিতে আসা নারী সদস্যের সংখ্যা ২১।
নবম জাতীয় সংসদ থেকে এই সংখ্যা ২টি আসন বেশি। দলের মনোনয়ন পেতে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই আসতে হয়েছে তাদের। আর সংরক্ষিত আসনের সদস্য ৫০ জন।
নানা প্রতিবন্ধকতা স্বত্বেও ধীরে ধীরে রাজনীতিতেও নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে। এক্ষেত্রে তাদের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয় বলে জানিয়েছেন নারী রাজনীতিকরা।
জাসদের সংসদ সদস্য শিরিন আখতার অভিযোগ করেন, পুরুষ সহকর্মীদের পক্ষ থেকে পদে পদে বাধা সৃষ্টি করা হয়।
রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনে কেন্দ্রীয় কমিটিতে শতকরা ৩৩ ভাগ নারীর অংশগ্রহণে নির্বাচন কমিশন মর্ত দিলেও আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো দলই এ বাধ্যবাধকতা পূরণ করেনি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজেদের যোগ্যতাতেই নারীকে উঠে আসতে হবে রাজনীতির মূলধারায় নারী নেত্রী আয়শা খানম।
তবে রাজনীতিতে নারীকে পুরুষের সমকক্ষ করে তুলতে হলে রাষ্ট্রকেও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে একমত সবাই।