জাতীয়

বিএনপির ইতিহাস ভোট কারচুপি আর সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের: শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা

বিএনপির ইতিহাস ভোট কারচুপি আর সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের— এ কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তাদের ইতিহাসে কখনো অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা-বিএনপি নাকি ভয়ে রাস্তায় নামতেই পারে না, এতই যদি ভয় থাকে তাহলে রাজনীতি কেন? অবশ্য এটা তাদের অভ্যাস।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছিলেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন নির্বাচনে তারা জোর-জবরদস্তি করে ক্ষমতা দখল করে।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, বিএনপি-জামাত জোট দেশে জ্বালাও-পোড়াও, বোমা হামলা, হত্যা-নির্যাতন করে সরকার উৎখাতের চেষ্টা করলেও জনগণই তাদের এসব জঙ্গিবাদী কার্যকলাপ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন ৯৩ দিন তার গুলশান কার্যালয়ের অবস্থান নিয়ে হুকুম দিল অত্যাচার করো, মানুষ মারো, আগুনে মানুষ পোড়াও। সবকিছু করো যাতে সরকার উৎখাত হয়। উনি প্রতিজ্ঞা করে বসে ছিলেন, এই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত উনি ঘরে ফিরে যাবেন না। আমি যদি ওনাকে জিজ্ঞাসা করি, উনি ঘরে ছিলেন, না রাস্তায় ছিলেন? উনি কী জবাব দেবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা অত্যাচার করে সরকার উৎখাত করতে চেয়েছিল—কিন্তু জনগণ সাড়া দেয়নি। জনগণই তাদের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ ঠেকায়। তখন এটা বন্ধ হয়।’

বিএনপি ক্ষমতাকে ভোগের বস্তু মনে করে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই অর্থসম্পদের মালিক হয়েছে, মুষ্টিমেয় কিছু লোককে অর্থসম্পদের মালিক করেছে-তাদের জোরে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছে। এটা ছাড়া তারা আর কিছুই করেনি।’

দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, নারীর উন্নয়নে, নারীর ক্ষমতায়নে আমরা যে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছি। বিদেশেও নারীরাও যাচ্ছে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও সরকার করছে।

গত ২০০১ সালের নির্বাচনের পর থেকে তারা একাত্তরের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কায়দায় মানুষের ওপর হত্যা, নির্যাতন, গণধর্ষণ করে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি সম্পর্কে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেও কিছু আদায় করতে পারেনি এখন তারাই ভারত বিরোধী কথা বলছে।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে যুব মহিলা লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে সরকারের সাফল্য দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার দিক নির্দেশনাও দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।

২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে দলের বিভিন্ন সুসময়ে কি দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামের প্রথম সারিতে ছিল যুব মহিলা লীগ। দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে আন্দোলন করতে গিয়ে অনেককে করতে হয়েছে কারাবরণ, কোন কোন কর্মীকে প্রাণও দিতে হয়েছে। যুগ পেরিয়ে গেলেও এবার দ্বিতীয়বারের মত সম্মেলনের আয়োজন করলো যুব মহিলা লীগ। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএনপি -জামাত ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নারী কর্মীদের ওপর হামলা মামলার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।

বিগত দিনের মতো আবারও যেকোনও পরিস্থিতি যাতে মোকাবেলা করতে পারে সেজন্য সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে যুব মহিলা লীগ নেত্রীদের দিক নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ