ইন্টারপোলের সদস্য ১৯০টি দেশেই জঙ্গি রয়েছে তাই জঙ্গিবাদ দমনে তথ্য আদান-প্রদানসহ একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাসচিব জুরগেন স্টক।
রোববার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে শুরু হওয়া ১৪ দেশের পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় তথ্য আদান-প্রদানের জন্য অভিন্ন আন্তঃদেশীয় নেটওয়ার্ক তৈরিতে ইন্টারপোল কাজ করবে—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরই মধ্যে কাউন্টার টেররিজমে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা অর্জনে ইন্টারপোল সহযোগিতা করেছে।
ইন্টারপোলের মহাসচিব জুরগেন স্টক বলেন, জঙ্গিবাদ বিশ্বের দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস ঠেকাতে সব দেশেরই উচিত হবে এক সঙ্গে কাজ করা।
তিন দিনব্যাপী সম্মেলনের প্রথম দিনে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম ও সিঙ্গাপুরের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর পলিটিক্যাল ভায়োলেন্স অ্যান্ড টেররিজম রিসার্চের অধ্যাপক রোহান গুণারত্নে দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সম্মেলন শেষে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনসহ আন্তঃদেশীয় কর্মপন্থা নির্ধারণ করে 'যৌথ ঘোষণা' স্বাক্ষর হবে।
ইন্টারপোল মহাসচিব ও ১৪ দেশের পুলিশপ্রধান ছাড়াও সম্মেলনে আফগানিস্তানের নিরাপত্তাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপমন্ত্রী আবদুল রহমান, মালয়েশিয়ার আইজিপি খালিদ আবু বকর, মিয়ানমার পুলিশের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মায়ো সু উইন, দক্ষিণ কোরিয়ার সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট জু মিন লি, শ্রীলংকার আইজিপি পুজিথ সন্ধি বন্দরা জয়সুন্দর, আসিয়ানপোলের নির্বাহী পরিচালক ইয়োহানেস আগুস মুলিয়োনো, আইজিসিআইর প্রটোকল অ্যান্ড কনফারেন্স বিভাগের প্রধান সিন লি চুয়া, আইসিআইটিএপির পরিচালক গ্রে বারসহ ৫৮ জন বিদেশি অংশ নিয়েছেন।