চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহত চার জঙ্গি ও এক শিশুর পরিচয় নিশ্চিত হতে ডিএনএ টেস্ট করা হবে।
শুক্রবার সকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নিহত জঙ্গিদের মধ্যে ২ জন রাজধানীর মিরপুর থেকে নিখোঁজ হওয়া দুই যুবক বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। কুমিল্লা, মিরসরাই ও সীতাকুণ্ডের ঘটনা একই সূত্রে গাথা। এরইমধ্যে সীতাকুণ্ডের ঘটনায় ৪টি মামলা করেছে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নিহত জঙ্গিদের মধ্যে দুই জন ঢাকার মিরপুর থেকে নিখোঁজ দুই যুবক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ডিএনএ টেস্টের পরই সবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কুমিল্লা, মিরেরসরাই ও সীতাকুণ্ডের ঘটনার যোগসূত্র— উল্লেখ করে সম্মেলনে আরো বলা হয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অচল করে দেয়া এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থাপনা ও শিল্পাঞ্চলে হামলা চালিয়ে জঙ্গিরা গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণের পরিকল্পনা করছিলো বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এদিকে, জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় ৪টি মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার এক দম্পতির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ মার্চ কুমিল্লায় বাসে তল্লাশি চালানোর সময় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জঙ্গিদের ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২৯টি গ্রেনেড ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
আর বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ডের লামাবাজার এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তিন মাসের শিশুসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রেমতলা চৌধুরীপাড়া এলাকায় ছায়ানীড় নামে একটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেই অভিযানে এক নারীসহ চার জঙ্গি ও এক শিশু নিহত হয়।