তিস্তায় পর্যাপ্ত পানি নেই, শুকিয়ে যাচ্ছে পানি —এ কথা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
বর্ষার আগ পর্যন্ত কয়েকমাস পানির জন্য শোচনীয় অবস্থার মধ্যদিয়ে যেতে হবে বলেও জানান তিনি।
শেখ হাসিনার ভারত সফরের ঠিক আগ মুহূর্তে বাঁকুড়ায় এমন মন্তব্য করেন মমতা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের সফরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত। তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত নয়াদিল্লি আর তার এ সফর দু'দেশের সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছে দুই দেশ যদিও এ সফরে তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে নয়াদিল্লিতে এখন সাজ সাজ রব। শেখ হাসিনার এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত। এই সফর দু'দেশের মধ্যে 'প্রগাঢ় বন্ধুত্বে'র পথ তৈরি করবে বলে আশা করছে প্রতিবেশী দুই দেশই। চারদিনের সফরে শুক্রবারই ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে বুধবার একদল বাংলাদেশি সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপচারিতায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোপাল বাগলে বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক এরইমধ্যে সর্বোচ্চ সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এটা অত্যন্ত ইতিবাচক। এ সফর পারস্পরিক সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শ্রীপ্রিয়া রঙ্গনাথন।
তবে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নাটকীয় কিছু হওয়ার কথা শোনা যায়নি ভারতীয় কূটনীতিকদের মুখে। যদিও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের শনিবার শেখ হাসিনার সম্মানে রাষ্ট্রপতির দেয়া নৈশভোজে যোগ দেয়ার খবরে তিস্তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে দুই দেশেই।
শেখ হাসিনার সফরের ঠিক আগ মুহূর্তে সেই তিস্তা নিয়েই মন্তব্য করেন মুখমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বুধবার বাঁকুরায় এক বৈঠকে তিনি বলেন, তিস্তায় পর্যাপ্ত পানি নেই, পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। বর্ষার আগে এই তিনমাস পানির জন্য শোচনীয় অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হবে –বলেন মমতা।
তিস্তা নিয়ে মমতার এমন বক্তব্য এবারই প্রথম নয়। অভিন্ন এই নদীর পানি বণ্টন চুক্তি মমতার জন্যই ঝুলে আছে।
এ ব্যাপারে তিনি বলেন, রাজ্যকে বাঁচিয়েই তিনি যতোটা সম্ভব বাংলাদেশকে সাহায্য করবেন।