রাজবাড়ীর পাংশায় গঙ্গা ব্যারাজ করার যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল— তা বাদ দেয়া হয়েছে। বিকল্প স্থান খুঁজতে শিগগিরই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি গঠন করা হবে। জানালেন পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। বুধবার সচিবালয়ে চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী চেন লিইয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা বলেন মন্ত্রী।
ভারত থেকে পাওয়া পানির সর্বোত্তম ব্যবহারের উপায়গুলোও আবারো পরীক্ষা নীরিক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলেও জানান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
১৯৯৬ সালে ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী গঙ্গার যে পানি পাওয়া যাচ্ছে, তা কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সে উদ্দেশ্যে ২০০৫ সালে রাজবাড়ির পাংশায় ব্যারাজ নার্মাণের প্রকল্প হাতে নেয় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।
২০১৩ অনুযায়ী সমীক্ষা শেষে যে চূড়ান্ত নকশা করা হয়, তার সারসংক্ষেপ ভারতকেও দেয়া হয়। তবে সেই নকশা পছন্দ হয়নি বলে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিষয়টি নিয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল হক মাহমুদকে প্রশ্ন করা হলে গঙ্গা ব্যারাজের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রকল্প নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই, প্রশ্ন উঠেছে নকশা নিয়ে। প্রকল্পটি পুনঃপরীক্ষা করা হচ্ছে। এরজন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি গঠনের কথা জানান তিনি।
গঙ্গা ব্যারেজ পাংশায় হচ্ছে কিনা সে প্রশ্নে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী পানি কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়েই পরিকল্পনা নেয়া হবে।
এর আগে চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রী চেন লিইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেখানে ব্রহ্মপুত্রসহ নাব্যতা হারিয়ে যাওয়া নদ-নদীগুলোর ড্রেজিং এ চীনের সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।