ঢাকা সড়ক বাস মালিক সমিতির সিটিং সার্ভিস বন্ধের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হয়েছে জানিয়ে সিটি সার্ভিস বাস মালিকরা বলেন, বাসের স্টাফরা গাড়ি চালাতে রাজি না হওয়ায় সড়কে বাসের সংখ্যা কম। এদিকে, এ অভিযানের ফলে সীমাহীন বিড়ম্বনার কথা জানিয়েছেন যাত্রীরা।
বিআরটিএর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যাত্রীদের কল্যানেই ভ্রাম্যমান আদালত চলছে। কাগজপত্র ঠিক না থাকায় মালিকরা বাস নামাচ্ছেন না বলেও দাবি তাদের।
এদিকে, সিটিং সার্ভিস বন্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে রাজধানীতে দ্বিতীয় দিনের মত বাস মালিকপক্ষ ও বিআরটিএর ভ্রাম্যমান আদালত সক্রিয়। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে কি-না?— তা দেখতে ভ্রাম্যমান আদালতের নজরদারি ছিল রাজধানীর ৫টি স্পটে। এতে সাহায্য করছে বাস মালিক সমিতির সদস্যরা।
সোমবার সকালে এ অভিযানের সময় যাত্রীরা বলেন, এতে করে তাদের বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কে পর্যাপ্ত বাস না থাকায় ক্ষুদ্ধ তারা। রাস্তার মধ্যে বাস দাড় না করিয়ে কাগজপত্র ডিপোতে পরীক্ষা করার পরামর্শ তাদের।
তবে বাস মালিকরা বলেন, হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্ত ঠিক হয়নি। একটি নির্দিষ্ট সময় বেধে দিলে ভালো হতো। বলেন, স্টাফরা না আসায় সড়কে বাসের সংখ্যা কম।
বিআরটিএর থেকে বলা হচ্ছে, কাগজ ঠিক না থাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের ভয়ে অনেকে মালিক সড়কে বাস নামায়নি। যাত্রীদের সাময়িক দুর্ভোগ হলেও, ভ্রাম্যমান আদালত যাত্রীদের কল্যানে কাজ করছে বলেও বিআরটিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।