সিটিং সার্ভিস উঠিয়ে দেয়ার জের ধরে রাজধানীর সড়কগুলোতে গণপরিবহন সঙ্কটে দুর্ভোগে নগরবাসী। টিকিট দিয়ে এখনো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে বলে অভিযোগ যাত্রী সাধারণের।
আর বাস মালিকরা বলছেন, ভাড়া নিয়ে ঝামেলা হওয়ার কারণে সড়কে বাস নামানো হচ্ছে না। সিটিং সার্ভিস তুলে দেয়া মালিক সমিতির স্বেচ্ছাচারিতা বলেও দাবি তাদের। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সমিতির নেতারা জানিয়েছেন।
এদিকে, রাস্তায় বাস নামাচ্ছেন না যেসব মালিক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। আর এ অভিযানে সাহায্য করে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সদস্যরা। তবে তিন দিনের এই অভিযানে রাজধানীর সড়কে গণপরিবহন কমেছে।
আর এ গণপরিবহন কমে যাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় যাত্রীদের। অভিযানের পরও গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেচেন যাত্রীদের অনেকেই।
বাস মালিকরা বলছেন, কোনো বাসেই অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে না। বিআরটিএর চার্ট অনুযায়ী ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। শ্রমিকরা কাজে যোগ না দেয়ায় বাস সড়কে নামানো হচ্ছে না। তাদের অভিযোগ, মালিক সমিতি জোর করে তাদের ওপর সিটিং সার্ভিস বন্ধের সিন্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছে।
তবে বাস মালিক সমিতি এ কথা মানতে নারাজ। তারা বলছেন, সিদ্ধান্ত সবার সঙ্গে আলোচনা করেই নেয়া হয়েছে। সমিতি ও মালিকদের মধ্যে কোনো মতবিরোধ নেই।
বিআরটিএ'র ম্যাজিস্ট্রেট বলেছেন, যারা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে, বাস মালিকরা রাজধানীতে গণপরিবহনের সংখ্যা কমিয়ে দিয়ে অঘোষিত ধর্মঘট ডেকেছে বলে অভিযোগ করেছে যাত্রী কল্যান সমিতি। জড়িতদের রুট পারমিট বাতিলসহ তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থারও দাবি জানায় সংগঠনটি।