দেশে পোশাক শিল্প শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। ন্যায্য মজুরী , চিকিৎসা ও অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শ্রমিকরা।
সাভারে রানা প্লাজার ট্রাজেডি'র চার বছর পূর্তিতে এসব অপূর্ণতার অভিযোগ তুললেন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। শ্রম আইনের নানা দূর্বলতার কারণেও শ্রমিকরা বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। তবে বিজিএমই এর দাবি, ইউরোপ- ও আমেরিকার ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স এবং জাতীয় ত্রিপক্ষীয় কমিটি এনটিপিএ'র নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছেন তারা।
সাভারে রানা প্লাজা ট্রাজেডির পর বাংলাদেশের পোশাক শিল্পখাত ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরেশোরে উঠে আসে। শ্রমিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন আর কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার চাপ আসে কারখানা মালিকদের ওপর।
দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই শিল্পখাতের উন্নয়নে বিদেশি ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্স ও জাতীয় ত্রিপক্ষীয় কমিটি - এনটিপিএ নানা দিক নির্দেশনাও জারি করে।
এতো সব উদ্যোগের পরও পোশাক শিল্প কারখানার কর্মপরিবেশ কতোটা নিরাপদ হয়েছে কিংবা শ্রমিকদের নিরাপত্তা কতোটা নিশ্চিত হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা তুললেন নানা অভিযোগ।
রানা প্লাজা ধ্বসের পর শ্রমিকদের নিরাপত্তায় পোশাক শিল্প মালিকদের নানা উদ্যোগের কথা স্বীকার করলেও, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে শ্রম আইন সংশোধনের দাবি পোশাক শ্রমিক নেতাদের।
এদিকে, পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিজিএমই' বলছে, শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা ও নিরপত্তার বিষয়টিকে তারা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।
পোশাক শিল্পখাতের উন্নয়নে শ্রমিক, মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দিলেন বিজিএমইএ সভাপতি।