শুধু মহেশখালী নয় বরং দেশের সব বিচ্ছিন্ন অঞ্চল পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে মহেশখালীবাসীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আরো তরান্বিত হবে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মহেশখালীকে ‘ডিজিটাল আইল্যান্ড’ ঘোষণা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, এ বন্দরের সুনাম যাতে আরো বৃদ্ধি পায় সে লক্ষ্যে সকলকে কাজ করতে হবে। এ উদ্যোগ মহেশখালীবাসীর সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে আরো অবদান রাখবে।
ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে আরো উন্নত ও আধুনিক করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
এ সময় বন্দরের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে সকলকে মিলে কাজ করার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
এদিকে, কোরিয়ান টেলিকম প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। এ প্রকল্পের মাধ্যমে মহেশখালীবাসী উচ্চগতির ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি সুবিধা পাবে।
এছাড়া ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পোর্ট এক্সপো বাংলাদেশ ২০১৭ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।