দশ হাজার টাকা সর্বনিম্ম মজুরী আর শ্রম আইনের বিধিমালা প্রণয়নের দাবি সামনে রেখে সোমবার উৎসবের আমেজে রাজধানীতে পালিত হলো মহান মে দিবস।
রাজপথে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আর সমাবেশে ছিল শ্রমজীবী মানুষের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ। তবে মে দিবস আন্দোলনের এত বছর পরও অধিকার নিশ্চিত না হওয়ার আক্ষেপ শ্রমিকদের আর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের বক্তব্য শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্কই পারে দেশকে শিল্পোন্নয়নের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে।
পল্টন মোড় থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব হয়ে হাইকোর্ট। পুরো সড়কটিই মানুষে পরিপূর্ণ। মে দিবস পালনে দেশের সকল পর্যায়ের শ্রমিকরা শামিল হয়েছেন এ মিছিলে।
শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিনটিকে স্মরণ করতে ওয়াকার্স ফেডারেশন, কর্মজীবি নারী, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ, ট্যানারি শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিক, নৌ শ্রমিক এমনকি সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের মতো সংগঠনের নারী-পুরুষসহ সকল খেটে খাওয়া মানুষ রাজপথে। সবার কণ্ঠে উচ্চকিত ন্যায্য মজুরি আর নিরাপদ কর্মস্থল।
একশো আট বছর আগে শ্রম দিবসের সূচনার ফসল এখনকার অনেক শ্রমিকরাই পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন কর্মজীবি নারীর সভাপতি ও সংসদ সদস্য শিরিন আখতার। বলেন, পিছিয়ে পড়া শ্রমিকদেরও অধিকার একদিন প্রতিষ্ঠা হবে এই প্রত্যাশাই মে দিবসে।
শ্রমিকদের এমন মিছিলে অংশ নেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। পল্টন মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। নৌ পরিবহনমন্ত্রী মালিক-শ্রমিকের একতার কথা বলেন।
মিছিল শেষে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশে মিলিত হয় সকল সংগঠন।
মে দিবস পালন করে ইসলামি শ্রমিক জোটের ব্যানারে একাধিক সংগঠন।