শ্রম সংক্রান্ত দুর্ঘটনা ও চিকিৎসার জন্য শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদী ইনজুরি স্কিম চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রদানে মালিকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শ্রমিকদের মেধাবি সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষা সহায়তা এবং নিহত ও আহত শ্রমিকদের স্বজনদের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ তখনই শ্রমজীবী, মেহনতি মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণের জন্য দীর্ঘ মেয়াদি স্কিম চালু করা হবে।
বিএনপির বন্ধ করে দেয়া কলকরাখানাগুলো নতুন করে চালু করেছে সরকার জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নের মূলে রয়েছেন শ্রমজীবী মানুষ, তাদের ভালোমন্দ দেখার দায়িত্ব সরকারের।
তিনি আরো বলেন, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবন মান উন্নত ও অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা ও রোগের চিকিৎসারও ব্যবস্থা করেছে সরকার।
উল্লেখ্য, শ্রমিকদের কল্যাণ ও সুরক্ষার জন্য ২০০৯ সালে ‘শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল’ গঠন করে সরকার। এ তহবিল থেকে বিভিন্ন খাতে কর্মরত এক হাজারেরও বেশি শ্রমিককে সহায়তা করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ৬০ জন শ্রমিকের স্বজনের হাতে ৭৯ লাখ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে প্রথমবারের মতো ৩৭ শ্রমিকের মেধাবি সন্তানদেরও আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করেন তিনি।