নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা বন্ধ হলে সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন নগর বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিধানকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া এ রায়, রমজানে ভেজাল বিরোধী অভিযানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ জন্য সরকার ও বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্টদের উচিত বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা।
তবে আইনজীবীরা বলছেন, বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা নির্বাহী আদালতে নয়, বিচারিক আদালতে হওয়া উচিত।এক্ষেত্রে আদালতের রায় যথার্থ।
ভ্রাম্যমান আদালত আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, এমন বিবেচনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা না করার পক্ষে রায় দিয়েছেন উচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
তবে উচ্চ আলাতের দেয়া এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করারও ঘোষণা দিয়েছে।
এ রায় ঘোষণার পর নগর বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রমজানের ঠিক আগ মূহুর্তে এমন রায় সাধারণ মানুষকে বেকায়দায় ফেলবে। বিশেষ করে ভেজাল বিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা থেকে সাধারণ মানুষের বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে কোন কোন আইনজীবী মনে করছেন, উচ্চ আদালতের এমন রায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ হবে। বিচারিক কার্যক্রম বিচারিক আদালতে পরিচালিত হবে।