আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস রমজান— পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার এ মাসে সংযম সাধনা ও ইবাদতের মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন। মাসব্যাপী তারাবির নামাজ আদায় এবং ভোররাতে সাহরি খেয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার না করে সংযম পালন করেন।
রহমত, বরকত আর নাযাত বা মুক্তির বার্তা নিয়ে আসে সিয়াম সাধনার মাস রমযান। হিজরী সালের শাবান মাসের সমাপ্তির পর প্রতিবছর মানবজীবনের সকল কালিমা দূর করার বিশেষত্ব নিয়ে আগমন মাহে রমযানের। রমযান শব্দের আভিধানিক অর্থ আত্মসংযম। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম রোজা।
পবিত্র রমযান মাসেই মুসলিম জাতির ওপর রোজা ফরজ করা হয়। যাবতীয় কামনা - বাসনা নিয়ন্ত্রণ করে মহান আল্লাহ তায়ালার একনিষ্ঠ বান্দা হওয়ার চেষ্টায় রত হন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। এ মাসেই মহানবী হযরত মুহাম্মাদ -এর ওপর অবতীর্ন হয় মানবমুক্তির সনদ পবিত্র কুরআন মজীদ।
মহান আল্লাহর করুণা ও অপার রহমত প্রাপ্তির সৌভাগ্য মেলে এ মাসে। পাপ- পঙ্কিলতা থেকে মুক্তির সুযোগ এনে দেয় রমযান। অন্য মাসের তুলনায় ইবাদতের সওয়াবও বাড়িয়ে দেয়া হয় বহুগুণে।
শ্রেষ্টতম এ মাসে ইবাদাত-বন্দেগী করে কাঙ্খিত লক্ষ্যে ধাবিত হতে চান ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা, বিরত থাকেন যাবতীয় কুপ্রবৃত্তি থেকে। এশার নামাজের পর মসজিদে মসজিদে চলে তারাবির নামাজ। সুবহে সাদিকের আগে সাহরি খেয়ে পরদিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার না করে সংযম পালন করেন মুসলমানরা।