টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন চান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আর সে লক্ষ্যে এবারের বাজেটে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে, বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অন্তরায় দূর করায় প্রয়াস নিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
রাজস্ব আহরণেও এবার একটি বড় ধাক্কা দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বাজেটে। মানব সম্পদ উন্নয়নে শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতের প্রতি এবার বাড়তি নজর দেয়া হয়েছে। বক্তৃতায় ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী।
সরকারের ২ মেয়াদে একটানা নবম এবং সবমিলিয়ে অর্থমন্ত্রীর ১১তম বাজেট এটি। সরকারের চলতি মেয়াদে হয়তো আর একটি বাজেট দেয়ার সুযোগ পাবেন তিনি। তবে তা পুর্ণাঙ্গ বাজেট হবে না তাই এ বাজেটকেই অর্থমন্ত্রী বেছে নিলেন, রাজস্ব আদায়ের বড় ক্ষেত্র তৈরির পট হিসেবে।
বক্তৃতার শুরতেই অর্থমন্ত্রী চলতি বাজেট বাস্তবায়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরনে। এরওপর ভিত্তি করে, দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।
উন্নত সুখী সমৃদ্ধ বাংরাদেশ গড়তে, অর্থমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি গুরত্ব দিয়েছেন বিনিয়োগের ওপর।
রাজস্ব আদায়ে, বিপুল সংখ্যক মানুষকে করজালে অন্তভুক্ত করার প্রয়াসও নিয়েছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে ভ্যাট আইনের বাস্তবায়নকে মূল হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন তিনি।
অর্থমন্ত্রীর দাবি, আয় অনুযায়ী দেশে মানুষ কর দেয় না। তাই করফাঁকি বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে বাজেটে। আয়করমুক্ত সীমাও অনান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বেশি বলেও দাবি তার।
দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে একটি সুশাসন ভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করার অঙ্গীকারও করেছেন অর্থমন্ত্রী।
দেশটিভি/এএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল: