১৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে আলোচনা শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ‘নির্দিষ্টকরণ বিল-২০১৭’ উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
২০১৬-১৭ অর্থবছরে মূল বাজেটে ৫৯টি মন্ত্রণালয়ে বা বিভাগের অনুকূলে নিট ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। সম্পূরক বাজেটে ২৩ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা কমে সংশোধিত বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১৭ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা। অর্থ পাচার, আবগারি শুল্কসহ নানা বিষয়ে সংসদে সরব হন বিরোধী দলের সদস্যরা।
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকে আমানতের ওপর কর আগেই ছিল, এবার শুধু তা বাড়ানো হয়েছে। অর্থপাচার রোধ করা সম্ভব নয়। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার ব্যাংক রেটের চেয়ে ২ শতাংশ বেশি থাকা উচিত।
২০১৬-১৭ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনার দ্বিতীয় দিনে শুরু থেকেই সরকারের সমালোচনায় সরব হন বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা বলেন, অর্থ পাচার রোধে সরকার কার্যকর কোন ভূমিকা নেয়নি। উল্টো আবগারি শুল্ক আরোপ করে জনগণের ভোগান্তি বাড়াতে চলেছে।
আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, কালো টাকার উৎস বন্ধে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার ব্যাংক রেটের চেয়ে ২% বেশি থাকাতে হবে।
পরে যেসব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ চলতি অর্থবছরে বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করেছে তার অনুমোদন নিতে পাস হয় সম্পূরক বাজেট। সংশোধিত বাজেটে ২৭টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের বরাদ্দ ১৮ হাজার ৩৭০ দশমিক ২৩ টাকা বেড়েছে এবং ৩৫টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের বরাদ্দ ৭৩ হাজার ৫২১ দশমিক ৫১ কোটি টাকা কমেছে।
সম্পূরক বাজেটে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৭৫৬ কোটি ৪৬ লাখ ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।