ঈদযাত্রার শেষ সময়ে বাড়ি ফেরার চাপ পড়েছে রাজধানীর স্টেশন-টার্মিনালগুলোতে। দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে বাস।
কিছুক্ষণ দেরি হলেও বাড়ি যেতে পেরে খুশি যাত্রীরা।
কাউন্টার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যানজট না থাকায় সময়মত যেতে পারছে বাসগুলো।
মহাসড়কে গাড়ি ধীর গতিতে চললেও দেশের কোথাও কোনো ধরনের যানজট নেই বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এদিকে, যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে কমলাপুর রেলস্টেশনে।
মহাসড়কে যানজট না থাকায় সকাল থেকে রাজধানী ছেড়ে যাচ্ছে দূরপাল্লার বাস। গাবতলী, মহাখালী থেকে যাত্রীরা স্বস্থিতেই বাড়ি ফিরতে পারছেন।
ঢাকা-ময়মনসিং সড়কের গাজীপুর মোড়ে যানজট থাকায় বাসের সিডিউলের হেরফের ঘটেছে।
যাত্রীরা দাঁড়িয়ে আছে কাউন্টারের সামনে। তবে অন্যান্য মহাসড়কে যানজট না থাকায় গাবতলী ও সায়দাবাদ থেকে বাস সময়মত ছেড়ে যাচ্ছে। এতে খুশি যাত্রীরা।
বাস কাউন্টার কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে আগেই বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সড়কগুলোও ফাঁকা থাকায় বেশ ভালোভাবেই যাত্রীদের আনা নেয়া করা যাচ্ছে।
দুপুরে, মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, এবার মহাসড়কে হালকা যানজট থাকলেও ভবিষ্যতে কোথাও যানজট থাকবে না।
বেশিরভাগ ট্রেন সময়মতো গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে।
সকাল ১১টা পর্যন্ত ১৯টি ট্রেন কমলাপুর স্টেশন ছেড়েছে গেছে। সারা দিনে প্রায় ৬০টি ট্রেন ঢাকা ছাড়বে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীর চাপ থাকলেও ভোগান্তি তেমন নেই। তবে গত তিন দিনের মতো আজ সিডিউল বিপর্যয় হয়েছে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে।
সকাল ৯টার বদলে প্রায় ৫ ঘণ্টা দেরিতে দুপুরের পর ছাড়বে ট্রেনটি। এদিকে, লঞ্চ টার্মিনালেও যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে।