একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বানচাল করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা।
তাই এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনসহ সকলকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ-আইক্ল্যাডসের আয়োজনে এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তারা।
পাশাপাশি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধের পাশাপাশি নির্বাচনী ব্যয়ের লাগাম টেনে ধরার তাগিদ তাদের। আর রাজনৈতিক বির্তকের বাইরে রেখে সেনা মোতায়েনের পক্ষেও মত দিয়েছেন তারা।
রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সমুন্নত রেখে একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথ অনুসন্ধানই এই গোলটেবিল আলোচনার মূল লক্ষ্য।
গোলটেবিল আলোচনার শুরুতেই লিখিত বক্তব্যে ১৯৭০ এর নির্বাচন থেকে সবশেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন বেসরকারি সংস্থা আইক্ল্যাডসের নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল মো. আব্দুর রশীদ।
বিগত ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নামে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে প্রধান রাজনৈতিক দলের দুই নেত্রীকে জেলে পাঠিয়ে দলগুলোকে ভেঙেচুরে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশীদ।
আসছে নির্বাচন যেন শুধু জনগণের ভোট দেয়ার অধিকারই নয় সব রাজনৈতিক দলেরও যেন অংশগ্রহণ থাকে সে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান ফেমার নির্বাহী পরিচালক মুনিরা খান ও অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ
নির্বাচনকে ঘিরে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধের পরামর্শ দিয়ে শাহরিয়ার কবীর বলেন, একই সঙ্গে নির্বাচনী ব্যয়েরও লাগাম টেনে ধরতে হবে।
আর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনা মোতায়েত করা হলেও তা যেন থাকে রাজনৈতিক বির্তকের বাইরে, এমন পরামর্শ নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের। পাশাপাশি নির্বাচনের মাঠ যেন থাকে লেভেল প্লেইং ফিল্ড।
তবে একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দিতেও সুপারিশ করেন আলোচকরা।