সরকারের আয় এবং ব্যয়ের কোনো স্বচ্ছতা নেই—এ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কোন ব্যবস্থাও তৈরি করেনি সরকার।
হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়িয়ে সিটি করপোরেশনের আয় কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব বলেও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মনে করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে থিংক ট্যাঙ্ক-পিআরআই আয়োজিত এক সেমিনারে এ অভিযোগ করেন অর্থনীতিবিদরা।
আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতার জন্য সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে স্বায়ত্বশাসন দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
তবে স্বচ্ছতার জন্য এরইমধ্যে অনেক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আর পরিসংখ্যান ব্যুরোকে স্বায়ত্বশাসন দেয়ার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় নেয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন।
দেশে সরকারি আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা কিভাবে নিশ্চিত করা যায়? এ নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর।
স্টেড ডিপার্টমেন্ট অব ইউএসের একটি প্রতিবেদনের উদ্বৃতি দিয়ে মনসুর বলেন, দেশে সরকারি আয়-ব্যয়ে ন্যূনতম স্বচ্ছতাও নেই। এরজন্য কোন পদক্ষেপও নেয়া হয়নি। আর ইন্টারন্যাশনাল বাজেট পার্টনারশিপ সূচকের হিসাব অনুযায়ী, আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিরূপনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মধ্যম পর্যায়ে আছে। একই অভিযোগ অর্থনীতিবিদদের।
তারা বলছেন, সরকারি আয় ব্যয়ের কোনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায় না। সামরিক খাতে আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষা করার প্রস্তাবও দেন অনেকে।
তবে অর্থমন্ত্রীর দাবি, সরকারের আয়-ব্যয়ের এখন নিরীক্ষা করা হচ্ছে— এ সংক্রান্ত তথ্যও সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে আরো কাজ করার আছে।