ভাঙাচোরা মহাসড়কের কারণে ঈদে বাস যাত্রায় অনেক বেশি ভোগান্তি পোহাতে হবে— উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, সড়ক পথে যাতায়াতে এখনই প্রতি ট্রিপে আট থেকে ১০ ঘণ্টা বেশি সময় লাগছে। আর রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, এবার চাহিদা বেশি হওয়ায় ট্রেনের ওপর যাত্রীদের চাপ পড়বে ব্যাপক।
ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত কয়েকদিন ধরে বাস, ট্রেন ও লঞ্চের আগাম টিকিট বিক্রি করছে কর্তৃপক্ষ। এবার বাসের অগ্রিম টিকিটের চাহিদা দেখা গেছে অন্যান্য বারের তুলনায় কিছুটা কম। সে তুলনায় অনেক বেশি ছিল ট্রেনের টিকিট প্রত্যাশীদের উপচে পড়া ভীড়।
অধিকাংশ মহাসড়কই এখনো বেহাল। ঈদের আগে এগুলো ঠিক হবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের কারণে বাস চলছে ধীরগতিতে। আবার সড়ক ও সেতু সংস্কারের জন্যও সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।
রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের সাধ্য সীমিত, তবে আন্তরিকতায় ঘাটতি নেই। এরপরেও চাহিদা অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক যাত্রী পরিবহন সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে এবারো ঈদ যাত্রায় বেশ কিছুটা বেগ পেতে হবে যাতায়াতে।
যাত্রীরা বলছে, সড়কের বেহাল দশার কারণে ট্রেনের ওপরই ভরসা করছেন তারা আর ভোগান্তি কমাতে ট্রেনের আগাম টিকিট সংগ্রহ করা।
বাস কর্তৃপক্ষ বলছে, সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে বিভিন্ন রুটের ট্রিপ কমিয়ে দিয়েছেন তারা। এছাড়া ভাঙাচোরা সড়কে সময়মত যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। উপরন্তু কোরবানীর পশুবাহি ট্রাকগুলো সড়কে প্রতিববন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
এদিকে, বুধবারও ট্রেনের টিকিট বিক্রি হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বরের টিকিট বিক্রি করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।