নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ— সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দেয়াও কঠিন বলে মনে করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। বুধবার সকালে রাজধানীতে বাংলাদেশ ফুড সেফটি কনফারেন্স-২০১৭'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তবে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের ব্যাপারে সরকারের চেষ্টার কোন ক্রটি নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি। জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১৮টি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান খাদ্যমন্ত্রী।
স্বাদে গুণে, এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফলমুলের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। কিন্তু এসব ফলমুলে বিশাক্ত রাসয়নিক মেশানোর ফলে, উল্টো তা স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
ফলমুল থেকে শুরু করে শাকসবজি, কিম্বা শিল্পে উৎপাদিত পণ্য, খাদ্য হিসেবে তা কতটা নিরাপদ তা নিয়ে আছে বিস্তর প্রশ্ন।
দেশে প্রথমবারের মত আয়োজিত 'বাংলাদেশ ফুড সেফটি কনফারেন্সে' দেশে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের চিত্র নিয়ে, হতাশাই প্রকাশ করলেন শিল্পমন্ত্রী।
এ বিষয় নিয়ে দেখভালের দায়িত্ব যাদের, তারাই যখন হতাশ, তখন দেশে নিরাপদ খাদ্য আইনের বাস্তবায়নও অনেকের কাছে দূরাশা। তবে এ আইন বাস্তবায়নে খাদ্যমন্ত্রী জোর প্রস্তুতির কথা বললেন।
তবে, সরকার আন্তরিক হলে, খাদ্যে ভেজাল অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন আলোচকরা।