মানবিক কারণে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ রামরুর রিসার্চ ফেলো ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দীন শিকদার ও আসিফ মুনীর।
এরসঙ্গে বিহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবর্মূর্তিও জড়িয়ে আছে উল্লেখ করেন তারা অন্তত সাময়িক সময়ের জন্য আশ্রয় দেয়া উচিৎ বলে মনে করছেন তারা।
একই সঙ্গে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরৎ পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবেও নিজেদের সমস্যা ও অবস্থান সরকারের পরিস্কার করা উচিৎ বলে উল্লেখ করেন।
মাত্র এগারো মাসের মাথায় আবারও মিয়ানমারের সরকার-রোহিঙ্গা দাঙ্গায় বাংলাদেশ মুখে ছুঁটছে দেশটির সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গারা।
শুক্রবার রাত থেকে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যে ছোট ছোট নৌকা করে কক্সবাজার সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করছে।
গত অক্টোবরে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নয় সদস্যকে হত্যার জের ধরে দেশটির সেনাবাহিনী ও সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এ তথ্য আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার।
গত বৃহস্পতিবার আরকান রাজ্যে সরকার ও রোহিঙ্গা বাহিনীর সংঘর্ষে সহিংস ঘটনার পর থেকে নাফ নদীর তীরে এসে আশ্রয় নিয়েছে তারা।
মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে ৫ লাখেরও বেশী রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছে বাংলাদেশে কয়েক দশক ধরে।
মুসলিম রোহিঙ্গাদের নিজ দেশের নাগরিক হিসেবে মানতে নারাজ মিয়ানমার।
এদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান সত্বেও নতুন করে শরণার্থী নিতে অপরাগতা জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। নতুন করে আশ্রয় না দেয়ার ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের জঙ্গি তৎপরতাসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে থাকার যুক্তি দেখানো হয়েছে।