কোরবানির ঈদের পুরো চাপ নিতে পারবে না সাভার চামড়া শিল্প নগরী— সিইটিপির চারটি মডিউল পুরোপুরি চালু করা হলেও, তা আড়াই হাজার লিটারের ওপর বর্জ্য শোধন করতে পারবে না। এ অবস্থায় দুষিত বর্জ্য ধলেশ্বরী নদীতে ফেলার আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার সকালে রাজধানীর সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ইকোনোমিক মডিউল-সানেম আয়োজিত এক সেমিনারে এমন আশংকা উঠে আসে। সাভার পরিবেশ বান্ধব চামড়া শিল্প নগরীর পুরো ডিজাইনই ত্রুটিপুর্ণ বলে মনে করেন অনেকে।
সানেমের চেয়ারম্যান তার গবেষণা প্রবন্ধে বলেন, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পর, হাজারীবাগে আর কোন ট্যানারি উৎপাদনে নেই আর সাভার পরিবেশ বান্ধব চামড়া শিল্প নগরীতে এখন ৭৭টি কারখানা চালু আছে। সেখানে সিইটিপির ৪টি মডিউলের মধ্যে ২ টি দিয়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার কিউবিক মিটার বর্জ্য পরিশোধন করা হচ্ছে।
বাকি ২টি চালু হলে মোট সক্ষমতা দাড়াবে ২৫ হাজার কিউবিক মিটার। আর কোরবানি ঈদে এ বর্জ্যের পরিমাণ এর চেয়ে কয়েকগুন বেশি হবে বলে প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়।
সলিড বর্জ্য পরিশোধনের কোন ব্যবস্থা সাভারে নেই। ক্রমো রিকভারি ইউনিটও ক্রুটিপূর্ণ। তাই এ শিল্পনগরীতেও পরিবেশ দুষণ রক্ষা করা যাবে না বলেও আশংকা ট্যানারি শিল্প সংশ্লিষ্টদের।
তবে তাদের এ দাবির সঙ্গে একমত নন, চামড়া শিল্প নগরীর সাবেক এই প্রকল্প পরিচালক। তারমতে, ডিজাইনে কোন সমস্যা নেই। তবে, পিক সিজনে যে সব বর্জ্য শোধন করার সক্ষমতা নেই-সেকথা স্বীকার করলেন তিনি।
এ অবস্থায়, পুরো বিষয়টি দেখভাল করার জন্য, একটি বিশেষ কমিটি করার সুপারিশ করেছেন আলোচকরা।