জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায়। এ জামাতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদসহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে এরমধ্যেই কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি পার হয়ে ঈদগাহ ময়দানে আসেন মুসুল্লিরা। দীর্ঘ লাইন ধরে তারা ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করেন। এ সময় স্থান সংকুলান না হওয়ায় নামাজ আদায় করতে মুসল্লিরা রাস্তায়ও দাঁড়িয়ে যান।
নামাজে ইমামতি করেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাতে দেশের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমর্থ মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
মিয়ানমারে নিপীড়িত রোহিঙ্গাসহ বিশ্বের মুসলমানকে জুলুম-অত্যাচার থেকে মুক্ত করে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার দোয়া করেন ইমাম। জামাত শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকোলি ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সবাই।
খুতবায় তিনি বলেন, আল্লাহর নির্দেশ রয়েছে গরীবদের পাশে দাঁড়ানোর এবং মানবিক বিষয়টা আমাদের অন্তরে ধারণ করে ত্যাগ করতে হবে।
এদিকে, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন ঈদগা, খোলা মাঠ ও মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত।
সকাল ৭টায় প্রথম জামাতসহ বায়তুল মোকাররম মসজিদে মোট ৫টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশক্তিমান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের এ নামাজ আদায়। খুশির দিনে সাধারণ মানুষের চাওয়া ভেদাভেদ-বিদ্বেষ ভুলে এগিয়ে যাবে দেশ।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা ঈদের নামায আদায় করতে আসেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। সকাল সাতটায় অনুষ্ঠিত হয় প্রথম জামাত। মসজিদ ছাড়িয়ে সামনের রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে মানুষের ভিড়। ধনী-গরীব ভেদাভেদ ভুলে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ একত্রে আদায় করেন ঈদের নামাজ।
নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে নিজের ও দেশের জন্য মঙ্গল কামনা করে মুনাজাত করা হয়।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান এতে ইমামতি করেন। তারপর তার সঙ্গে মোনাজাতে হাত তোলেন সবাই।
মুনাজাতে প্রকৃতিক দুর্যোগসহ সকল প্রকার বালা-মুসিবত থেকে দেশ ও জাতির মুক্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। বিশেষ করে দেশের বিস্তির্ণ এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সুরক্ষার জন্য স্রষ্টার কৃপা প্রার্থনা করা হয়।
মিয়ানমারে নিপীড়িত রোহিঙ্গাসহ বিশ্বের মুসলমানকে জুলুম-অত্যাচার থেকে মুক্ত করে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার দোয়া করেন ইমাম। জামাত শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকোলি ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সবাই।
আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন একে অপরের সঙ্গে। এ যেন শান্তি ও সম্প্রীতির সঙ্গে ত্যাগের এক মহা উপলক্ষ্য। ছোটরাও বাদ পড়েনি এ আনন্দের সঙ্গী হতে।