বিমানবন্দরে সংবর্ধনা শেষে গণভবন পর্যন্ত মানুষের ঢল নামে। প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ জীবন কামনা করেন নেতাকর্মীরা।
বিমান বন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দুপাশ জুড়ে শনিবার সকাল থেকেই উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ উপলক্ষে নেয়া হয় এ প্রস্তুতি।
সকাল ৯ টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি অবতরন করে। সেখানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের দেওয়া সংবর্ধনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। সাড়ে দশটার দিকে বিমান বন্দর থেকে গণভবনের উদ্দেশ্য বেরিয়ে আসে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর।
ব্যানার, ফেস্টুন আর ফুল নিয়ে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার নেতাকর্মীরা স্লোগান নিয়ে প্রিয় নেত্রী, প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
বিমান বন্দর, বনানী, মহাখালী, বিজয়স্মরণী হয়ে গণভবন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানাতে মানুষের ঢল নামে। মূল সড়কের দুপাশে ব্যানার, ফেস্টুন আর প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত পোস্টারের পাশাপাশি চলে দেশের গান আর নানা ধরনের দেশাত্ববোধক সংগীত।
প্রিয় দেশ আর প্রিয় নেত্রীর জন্য মঙ্গল কামনা করেন সকলে।
পথে পথে সংবর্ধনাসিক্ত হতে হতে সকাল ১০ টা ৫৮ মিনিটে গণভবনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
রোহিঙ্গাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক আচরণের জন্য ব্রিটিশ গণমাধ্যম তাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ অ্যাখায়িত করেছে। আর রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও তাদের ফেরত নিতে জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ও প্রস্তাব বিশ্ব নেতাদের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।