রোহিঙ্গা সঙ্কটের ফলে এ অঞ্চলে উগ্রবাদ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশিষ্টজনেরা।
রোহিঙ্গাদের কারণে সন্ত্রাসবাদের উত্থান হলে তা আঞ্চলিক আর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে—এ কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেন, দেশের সুশীল সমাজ এই সঙ্কটে খুব একটা সক্রিয় নয় বলে মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, যেসব দেশ ও সংস্থা মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে অং সন সূচির পাশে ছিল, সেসব দেশ রোহিঙ্গা সঙ্কটে এখন বাংলাদেশের পাশে। তাই এ সঙ্কটের ইতিবাচক একটি সমাধানে সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে বিজের গোলটেবিল আলোচনার দ্বিতীয় সেশনে সাবেক রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন, এ সমস্যা সমাধানে দুই প্রভাবশালী প্রতিবেশী চীন ও ভারতকে আরো বেশি কাছে আনতে হবে বাংলাদেশের।
তাদের আশঙ্কা, এ সঙ্কটের নিষ্পত্তি না হলে ছড়িয়ে পড়তে পারে উগ্রাবাদ যা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি বলে মত দেন সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, শমসের মবিন চৌধুরী, ব্রি. জে. সাখাওয়াত হোসেন।
আলোচনায় পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক জানান, এ ইস্যুতে চীন, রাশিয়া, ভারতের সঙ্গে দুই বছর আগে থেকেই বিস্তৃতভাবে কাজ করে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়। তবে দেশের সুশীল সমাজের ভূমিকার সমালোচনা করেন তিনি।
সমাপনী বক্তব্যে, যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের মতো দেশ আর ইইউ'র মতো সংস্থা বাংলাদেশের পাশে থাকায় এর সমাধান সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।