ক্ষুধার্ত, নিঃস্ব, আতঙ্কিত হাজার হাজার রোহিঙ্গা এখনও বাংলাদেশের পথে সোমবার ইউএনএইচসিআরের ড্রোন ভিডিওতে উঠে এসেছে সেই চিত্র।
গত ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ২৮৮টি গ্রাম আংশিক বা পুরোপুরি পুড়ে ফেলা হয়েছে। উপগ্রহ থেকে ধারণ করা নতুন ছবি থেকে এমন প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, এসব ছবি বিশ্লেষণে এটাই প্রতীয়মান হচ্ছে, অপারেশন ক্লিয়ারেন্স বন্ধের বিষয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দাবির পরও এসব বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের ডেপুটি ডিরেক্টর ফ্লিম রবার্টসন জানান, ছবিগুলো প্রমাণ করে, মাত্র ৪ সপ্তাহের মধ্যে কেন ৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।
রবার্টসন আরও বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের শত শত গ্রাম ধ্বংস করেছে।
তারা মানুষ হত্যা ও ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, আবার নতুন করে রোহিঙ্গা ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত প্রায় অর্ধলাখ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটেছে বাংলাদেশে। আরো বিশ হাজার সীমান্তে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে।
উখিয়ার পালংখালি আঞ্জুমান পাড়া থেকে মঙ্গলবার হাজারো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেখা গেছে। অনেকেই অবস্থান করছেন বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডে।
এদিকে উখিয়ায় আশ্রয় নেয়া নতুন রোহিঙ্গাদের মাঝে সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত আছে।
সকালে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরন করা হয়। কুতুপালং ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণ ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে কাজ করছে সেনাবাহিনী।