জনগণের কাছে পুলিশ যতো বেশি যাবে আইন-শৃঙ্খলা ততো ভালো হবে—পুলিশ-জনগণ মিলেই একটি সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তুলতে হবে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রধান কার্যালয়ে ‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশে পালিত হয় কমিউনিটি পুলিশিং ডে। কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০১৭ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আইজিপি শহিদুল হক।
এ সময় তিনি বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি কাধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে কমিউনিটি পুলিশের সদস্যরা।
জঙ্গি, মাদক, সন্ত্রাসসহ যারা রাজধানীতে আগুন সন্ত্রাস করতে চায় তাদের কমিউনিটি পুলিশ সদস্যসহ রাজধানীবাসিকে নিয়ে প্রতিহত করা হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে শনিবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রধান কার্যালয় থেকে র্যা লি বের করে ডিএমপি। এ উপলক্ষে ডিএমপির আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
এসময় স্বাগত বক্তব্যের আইজিপি শহিদুল হক বলেন, সমাজ থেকে অপরাধীদের নিশ্চিহ্ন করতে হলে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।
পুলিশের কার্যক্রম ও সেবা সাধারণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, দেশে জঙ্গিবাদের যে কালো অধ্যায় সূচনা হয়েছিলো তা রুখতে দেশবাসী সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে। আর এটি সম্ভব হয়েছে কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে।
এদিকে, ভোলায় দিবসটির উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
এসময় তিনি বলেন, কমিউনিটি পুলিশ আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করছে।
চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা পুলিশ। কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে জয়পুরহাটেও ছিলো নানা আয়োজন। এছাড়া আলোচনা সভা, শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে গাজীপুর, ঝিনাইদহ, গোপালগঞ্জ, কুমিল্লা, নাটোর, যশোর, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালন করা হয়।