ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সব রোহিঙ্গাকে কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পে আনা হচ্ছে—এ কথা উল্লেখ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সেখানে ৫টি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কোনো খাদ্য সংকট নেই বলেও দাবি করেছেন ত্রাণমন্ত্রী।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তাণ্ডবে ঠিক কতজন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে এখন পর্যন্ত তার সংখ্যা ধারনা নির্ভর। তবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নিবন্ধন শেষ হলে প্রকৃত সংখ্যা জানা যাবে।
এই লাখ লাখ রোহিঙ্গার থাকা-খাওয়া পয়নিষ্কাসনের ব্যবস্থা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। তারপরও আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতায়, এসব সমস্যা এখন সমাধানের পথে। সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান ত্রাণমন্ত্রী।
তবে এসব সমস্যার সমাধানই শেষ কথা নয়।
রোহিঙ্গাদের দ্বারা স্থানীয় লোকজনকে হত্যা ও হামলার ঘটনাও ঘটছে— এ সমস্যা সমাধানে সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের চিন্তা করছে সরকার বলে জানান তিনি।
রোহিঙ্গা স্রোতে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশেরও তবে গুরুত্ব বিচারে কর্তৃপক্ষের কাছে, পরিবেশের অবস্থান অনেকটাই পেছনে।