পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণ, ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন এবং পারিপাশ্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দুটি নকশা নির্বাচন করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুরক্ষা বিভাগ এবং কারা অধিদপ্তর উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা মাধ্যমে স্থপতি আবদুর রশীদ ও তার দলের করা নকশাকে প্রথম এবং স্থপতি আমিনুল এহসান ও তার দলের নকশাকে দ্বিতীয় বিজয়ী ঘোষণা করে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বঙ্গবন্ধু তথা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, চার নেতার স্মৃতির যাদুঘর এবং ঢাকার মধ্যযুগের ইতিহাস সংক্ষণ করা যাবে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান থেকে শুরু করে জাতীয় চার নেতাসহ দেশের সকল আন্দোলন সংগ্রামে সম্পৃক্তরা পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে দিনের পর দিন কারা বরণ করেন। কারাগারে বসে লিখেন স্বাধীনতার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ তথা বাংলাদেশ গঠনে লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। কেন্দ্রীয় কারাগার কেরাণীগঞ্জে স্থানান্তরের পর গুরুত্বপূর্ণ এ স্থাপনা সংরক্ষণ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এই প্রকল্প লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ ও কারা অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে উন্মুক্ত নকশা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এই প্রতিযোগিতায় মোট ৩৪টি নকশা জমা পরে সেখান থেকে স্থপতি আবদুর রশিদ ও তার দলের করা নকশাকে প্রথম এবং স্থপতি আমিনুল এহসান ও তার দলের নকশাক দ্বিতীয় হিসেবে নির্বাচন করে জুড়ি বোর্ড।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার কারাবরণরে ইতিহাস তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার প্রয়াসেই এখানে দৃষ্টিনন্দন যাদুঘর নির্মাণ করা হবে।
এসব নকশা নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে।