বড় আকারের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ। বুধবার খুলনায় নৌবাহিনীর তিতুমীর ঘাঁটিতে 'দুর্গম' ও 'নিশান' নামে দুটি যুদ্ধজাহাজের আনুষ্ঠানিক কমিশনিং অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সরকার নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, নৌবাহিনীকে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেব গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
এ সময় দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় নৌবাহিনীকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে আহ্বান জানান তিনি।
বড় আকারের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে সক্ষম বাংলাদেশ উল্লেখ করে ভবিষ্যতে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ।
তিনি বলেন, নৌবাহিনীকে একটি কার্যকর ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য জাতির পিতার পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান সরকার। যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
এ সময় সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব নমুন্নত রাখা, চোরাচালান ও জলদস্যু দমন, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বিধানে নৌবাহিনীকে সদা সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি।
এর আগে খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত দুটি যুদ্ধজাহাজ বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে সংযোজিত হয়েছে। খুলনায় নৌবাহিনীর তিতুমীর ঘাঁটিতে 'দুর্গম' ও 'নিশান' নামে এ দুটি যুদ্ধজাহাজের কমিশনিং প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ।
আটশ' কোটি টাকা ব্যয়ে জাহাজ দুটি ২৫ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। এতে রয়েছে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র। শত্রুর সাবমেরিন শনাক্ত ও বিধ্বংসী টর্পেডো নিক্ষেপ করতেও সক্ষম জাহাজ দুটি।