রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সাক্ষর হবে বৃহস্পতিবার। নেপিদোতে বুধবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া দু'দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শেষে এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।
শুরুতে বৈঠক হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পর্যায়ে। এসময় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক।
পরে দুপুরে দ্বিতীয় দফায় বৈঠক শুরু হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী ও মিয়ানমারের শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রী উ চি টন সোয়ের মধ্যে। বৈঠক চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। দীর্ঘ আলোচনা শেষে রোহিঙ্গা ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
বৃহস্পতিবার মিয়ানমার সরকারের উপদেষ্টা অং সান সুচির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক করার কথা রয়েছে।
এদিকে, এ বিষয়ে আলোচনার জন্য এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মিয়ানমার সফর করেন। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে সেসময় একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে দুদেশের মধ্যে সমঝোতা হয়। ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই এর প্রক্রিয়া শুরুর কথা রয়েছে।
রাখাইনে নির্যাতনের মুখে গত ২৫ আগস্ট বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছিল। বুধবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে এ নিয়ে দফায় দফায় বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয় মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের।