জাতীয়

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মিয়ানমার-বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি সই

 রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা
রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বৃহস্পতিবার মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে।

দেশটির রাজধানী নেপিদোতে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং মিয়ানমারের পক্ষে দেশটির স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চির দপ্তরের মন্ত্রী কিয়া তিন্ত সোয়ে এ চুক্তিতে সই করেন।

পরে মাহমুদ আলী বাংলাদেশের সময় টেলিভিশনের সাংবাদিককে বলেন, এটা প্রথম পদক্ষেপ দুই দেশকে এখন ‘পরের স্টেপে যেতে হবে। এখন কাজটা শুরু করতে হবে— সব ডিটেইল এর (সমঝোতা স্মারক) মধ্যে আছে। আমরা ঢাকায় ফিরে বিস্তারিত জানাব।

তিনি বলেন, তিন মাসের মধ্যে ফেরত না তো এখন যেটা হচ্ছে এই কাজটা শুরু করতে হবে— ওখানে – মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরগুলোতো জ্বালিয়ে দিয়েছে… সমান করে দিয়েছে এগুলো, বাড়িঘরতো তৈরি করতে হবে।

এদিকে, মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা বিষয় দপ্তরের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি মিন্ট চিং বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, বাংলাদেশে ফরম (রোহিঙ্গাদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিবন্ধন ফরম) পূরণ করে আমাদের ফেরত পাঠালে যত দ্রুত সম্ভব আমরা তাদের (রোহিঙ্গা) ফিরিয়ে আনতে চাই।

এর আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিল অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।

সকালে নেপিদোতে স্টেট কাউন্সিলের কার্যালয়ে ৪৫ মিনিট ধরে বৈঠক করেন তারা।

ওই সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান মাহমুদ আলী।

এর আগে গতকাল বুধবার মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে এ নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নির্দিষ্ট সময়সীমার একটি ধারা যুক্ত করতে চায় বাংলাদেশ। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা যাচাই-বাছাইয়ে জাতিসংঘকে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে ঢাকা। এ দুটি বিষয়ে আগে থেকেই আপত্তি জানিয়েছে আসছিল মিয়ানমার।

এর আগে স্টেট কাউন্সিলরের কার্যালয়ের মন্ত্রী কেয়াউ তিন্ত সোয়ের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুসহ দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক, মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম সুফিউর রহমান এবং স্বরাষ্ট্র ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত মঙ্গলবার নেপিদোতে আসেম সম্মেলন শেষে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি বলেন, মিয়ানমারে ফিরে আসতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা হবে তা দুই দেশের বৈঠকে ঠিক করা হবে।

পরে ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

দেশটিভি/এএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ