বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতি পাওয়ায় শনিবার সরকারিভাবে উদযাপন করা হয়।
জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়।
প্রথমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মুখ্য সচিব কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ৭ মার্চের ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতির মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের জনগণের নয়, বিশ্বের ৬০০ কোটি মানুষের সম্পদে পরিণত হয়েছেন।
পরে বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে তা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ স্থলে গিয়ে শেষ হয়।
এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও এতে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের মানুষ।
আনন্দ শোভাযাত্রাটি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর থেকে মিরপুর রোডের রাসেল স্কয়ার দিয়ে সায়েন্স ল্যাব বামে মোড় নিয়ে বাটা-সিগন্যাল-কাটাবন ক্রসিং হয়ে চারুকলার বিপরীতে ছবির হাট গেট দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করে।
বিকেল পৌনে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে ভাষণ দেন।
এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লেজার শো।
এদিকে, বঙ্গবন্ধুর ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতি উদযাপনে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পর্যায়সহ সারাদেশে আনন্দ শোভাযাত্রা করা হয়েছে।
বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ শোভাযাত্রায় মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষে শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
ময়মনসিংহে সার্কিট হাউজ মাঠে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।
গাজীপরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেলের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
এছাড়াও উৎসব মুখোর পরিবেশে আনন্দ শোভাযাত্রা হয়েছে রাজবাড়ি ও নড়াইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা সদরে।