মিয়ানমারের সঙ্গে সমঝোতাস্মারক সই হওয়াকে দেশের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে রাষ্ট্রদূত সম্মেলনে বিশ্বের ৫৮টি দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার আর স্থায়ী প্রতিনিধিদের তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রেখেই সকল সমস্যার সমাধান করা হবে আর এজন্য আলোচনাই একমাত্র পথ।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় সারাবিশ্ব বাংলাদেশকে সাধুবাদ দিচ্ছে– উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে রোহিঙ্গা মিয়ানমারের ফেরত পাঠানো সম্ভব হবে।
আন্তর্জাতিক চাপ বজায় রেখে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধারপরাধীদের পক্ষে কেউ যেন বিদেশে অপপ্রচার চালাতে না পারে সেদিকেও খেয়াল রাখার নির্দেশ দেন তিনি।
তিস্তা পানি চুক্তির জন্য আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে বলেও জানান শেখ হাসিনা। দেশে বিদেশী বিনিয়োগ আনতে আর প্রবাসীদের সুযোগ সুবিধা দেখতে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আর যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে কেউ যেন বিদেশে অপপ্রচার চালাতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির জনকের ঘোষিত পররাষ্ট্র নীতিকেই অনুসরণ করছে সরকার।