বিডিআর (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি) বিদ্রোহ মামলায় হাইকোর্ট থেকে সম্প্রতি খালাস পাওয়া তোরাব আলী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন তোরাব আলী। তবে গত বছরের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিলের রায়ে তিনি খালাস পান। তবে খালাস পেলেও কারাগার থেকে মুক্তি পাননি তিনি।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪জনকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বহুল আলোচিত এ মামলায় বিডিআর জওয়ানদের পাশাপাশি অভিযুক্ত হন ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি তোরাব আলী।
বিডিআর থেকে অবসর নেয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিদ্রোহীদের সমর্থনে মিছিল ও সহযোগিতার অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে।
এ মামলায় রাজনীতিবিদদের মধ্যে ২০০৯ সালে তোরাব আলী ও বিএনপির সাবেক সাংসদ নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর নিম্ন আদালত দুই জনকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ২০১৫ সালের ৩ মে রাজশাহী কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।