তামাক নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে আগামী বাজেটে এ বিষয়ে না ভোট দিবেন ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী।
সোমবার সকালে রাজধানীতে তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক গবেষণা ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।
তামাকজাত পণ্য উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণে সরকার পরস্পর বিরোধী নীতি অনুসরণ করছে—এ কথা উল্লেখ করে সাবের হোসেন অভিযোগ করেন, তামাক নিয়ন্ত্রনে আইন থাকলেও তা প্রয়োগের কোনো তৎপরতা নেই।
দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন ও তার বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস ও যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ যৌথভাবে ৫টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করে।
গবেষণায় বলা হয়, শিশুদেরকে তামাক ক্রয় ও বিক্রয় ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রয়োগ নেই। এমনকি ৮৬ শতাংশ মানুষের এ ব্যাপারে কোনো ধারনাই নেই।
প্রকাশ্যে তামাক সেবন নিষিদ্ধ হলেও দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ ব্যাপারে ন্যূনতম সতর্কবাণীও দেয়া হয় না। সব মিলিয়ে আইন ও এর প্রয়োগের মধ্যে কোনো মিল খুঁজে পাননি গবেষকরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবের হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাক মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। আবার ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর মত প্রতিষ্ঠানের সরকারের মালিকানাও আছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাক মুক্ত করতে হলে এখন থেকে একটি পথনকশা প্রণয়ন করতে হবে। আগামী বাজেটে এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া না হলে, এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন সাবের হোসেন চৌধুরী।
বাংলাদেশে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শক্তিশালী করতে খুচরা সিগারেট বিক্রি বন্ধ করার সুপারিশও উঠে এসেছে অনুষ্ঠানে।