নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন আজ-মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে না—জানিয়েছেন বাংলাদেশের শরণার্থী প্রত্যাবাসন বিষয়ক কমিশনার আবুল কালাম আজাদ।
প্রকৃত প্রত্যাবাসন শুরু করতে ৩ থেকে ৪ মাস বা আরো বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানান তিনি।
এদিকে, আজই প্রত্যাবাসন শুরু হবে কিনা এ নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যেই আশ্রয় শিবিরে থাকা রোহিঙ্গারা রোববার আবারো বিক্ষোভ করেছে। তারা বলছে, নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, নিজ ভূমিতে ফেরার নিশ্চয়তাসহ ৮ দফা দাবি না মানলে তারা মিয়ানমারে ফিরে যাবে না।
খবরটি দিয়েছিলো মিয়ানমার কর্তৃপক্ষই যে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে ২৩ জানুয়ারির মধ্যেই। তবে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলেন সেটি আসলে হচ্ছে না।
বাংলাদেশের শরণার্থী প্রত্যাবাসন বিষয়ক কমিশনার আবুল কালাম আজাদ বলেন, তারা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। তবে সব প্রস্তুতি শেষ করে প্রকৃত প্রত্যাবাসন শুরু হতে ৩ থেকে ৪ মাস বা আরো বেশি সময় লাগতে পারে।
তিনি আরো বলেন, চুক্তি অনুযায়ী দুই মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার কথা রয়েছে— ইতিমধ্যে সেটা শুরুও হয়েছে। তবে ২৩ জানুয়ারি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর কথা বলে মিয়ানমার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
রোহিঙ্গাদের তালিকা তৈরির ব্যাপারে আবুল কালাম আজাদ বলেন, পরিবার এবং গ্রামভিত্তিক তালিকা তৈরি হবে— এখনো মিয়ানমারকে কোনো তালিকা দেয়া হয়নি।
এদিকে, মঙ্গলবারই প্রত্যাবাসন শুরু হবে কিনা— এ নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যেই আশ্রয়শিবিরে থাকা রোহিঙ্গারা রোববার আবারো বিক্ষোভ করেছে। তারা বলছে, নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, নিজ ভূমিতে ফেরার নিশ্চয়তাসহ ৮ দফা না মানলে তারা মিয়ানমার ফিরে যাবে না। এসব দাবিতে তারা আরাকান রোহিঙ্গা হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস সোসাইটি নামে অনানুষ্ঠানিক কার্যক্রমও শুরু করেছে।