রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র—এ বিষয়ে বাংলাদেশের নেয়া পদক্ষেপকেও তারা সমর্থন করে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড্যান রোজেনব্লুম।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-বিজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ড্যান রোজেনব্লুম বলেন, আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য যোগযোগ অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ ও সমুদ্রসীমা উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব রয়েছে।
এর পাশাপাশি নির্ভুল তথ্য বিনিময়ে এই অঞ্চলে একটি মেরিটাইম ডোমেইন ফিউশন সেন্টার স্থাপনেরও তাগিদ দেন মার্কিন উপ-সহকারী মন্ত্রী।
এদিকে, রোহিঙ্গা ইস্যুটি না থাকলেও মার্কিন এ প্রতিনিধির কাছে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে, এই সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের ভুমিকা নিয়ে। প্রশ্নোত্তরে বাংলাদেশকে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পুর্নসমর্থনের কথা ব্যক্ত করেন ড্যান রোজেনব্লুম।
আর বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এরইমধ্যে এ বিষয়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এরইমধ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কিছু ব্যবস্থাও নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা-জিএসপি পুনর্বহালের বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত বলেও জানান যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত।